কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার পাচ্ছেন সাতজন তরুণ কবি ও সাহিত্যিক। আজ, রবিবার, এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুরস্কারের জন্য মনোনীত কবি ও লেখকদের নাম প্রকাশ করা হয়। আগামী ৩০ তারিখ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ গবেষণা ও নাটক, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাহিত্য এবং শিশু-কিশোর সাহিত্য- এই পাঁচটি বিভাগে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ বছর এ পাঁচটি বিভাগে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন সাতজন তরুণ কবি ও লেখক।

এ বছর কবিতায় জুমজুয়াড়ি গ্রন্থের জন্য মিজানুর রহমান বেলাল ও নিশিন্দা পাতার ঘ্রাণ গ্রন্থের জন্য হোসনে আরা জাহান, কথাসাহিত্যে এই বেশ আতঙ্কে আছি গ্রন্থের জন্য তাপস রায়, প্রবন্ধ, গবেষণা ও নাটকে নৃত্যকী গ্রন্থের জন্য আলতাফ শাহনেওয়াজ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের অজানা ভাষ্য গ্রন্থের জন্য মামুন সিদ্দিকী এবং শিশু-কিশোর সাহিত্য বিভাগে হরিপদ ও গেলিয়েন গ্রন্থের জন্য রাজীব হাসান কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

বাংলাদেশের নবীন কবি-লেখকদের সাহিত্যচর্চা ও সাধনাকে গতিময় এবং তরুণদের সৃজনধারাকে অনুপ্রাণিত করতে এইচএসবিসির সহায়তায় মাসিক সাহিত্য পত্রিকাকালি ও কলম ২০০৮ সাল থেকে ‘তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কান’ প্রদান করে আসছে। এবছর দশমবারের মতো এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে কালি ও কলম সম্পাদক আবুল হাসনাত বলেন, ‘বাংলাদেশের সাহিত্যের উন্নয়ন ও বিকাশে তরুণদের সাহিত্য-সাধনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নবীন লেখকরাই চর্চা, সাধনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রথাবিরোধিতার মধ্য দিয়ে যেকোনো দেশের সাহিত্যের ভিত নির্মাণ করেন। তরুণ প্রজন্ম তাঁদের সাধনার মধ্য দিয়ে সাহিত্যের গতিধারায় নবীন মাত্রা সৃষ্টি এবং নব-উদ্ভাবনী শক্তিতে দেশের সাহিত্যে নবীন বেগ সঞ্চার করেন। আশা করি, এদেশের কবিতার ধারা, সাহিত্যসাধনা, চর্চা ও সাহিত্যের সৃজনী তৎপরতায় এ-পুরস্কার নবীন লেখকদের উদ্দীপিত করবে।’