মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননা পেলো বেঙ্গল ফাউন্ডেশন

সংগীত, সাহিত্য, চিত্রকলা, স্থাপত্য ইত্যাদি সৃজনশীল ক্ষেত্রে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। দেশের সংস্কৃতি ও গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষায় প্রায় তিন দশক ধরে বিশেষ অবদান রেখে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এর জন্য দেশ ও দেশের বাইরে বিশেষভাবে স্বীকৃত বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি এর মুকুটে যুক্ত হলো আরেকটি পালক। শুদ্ধ সংগীত চর্চা, বিকাশ ও সংরক্ষণের মাধ্যমে মেধাসম্পদ সুরক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনকে মেধাসম্পদ সুরক্ষা সম্মাননা পদক প্রদান করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কপিরাইট কার্যালয়।

গত ২৩ এপ্রিল আন্তর্জাতিক কপিরাইট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এই পদক প্রদান করা হয়। রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘মেধাসম্পদ বিকাশে কপিরাইটের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের পক্ষে পদকটি গ্রহণ করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক কপিরাইট দিবসে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান নূর, এমপি। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। এসময় কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মেধামসিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং বিভাগের খন্ড কালীন শিক্ষক খান মাহাবুব, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আসাদুজ্জামান নূর বলেন, কপিরাইট আইন কার্যকরে এখন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে। যারা সৃজনশীল কাজের সঙ্গে জড়িত, তারা সবাই কপিরাইট আইনের অংশীজন। মেধাসম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য আমাদের সবাইকে শক্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, মেধাসম্পদের বিকাশে, বিশেষত যাবতীয় বিমূর্ত অভিব্যক্তির নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক বিকাশে কপিরাইট আইনের ভূমিকা নতুনভাবে ব্যাখ্যা ও অনুধাবন করা অত্যাবশ্যক। কপিরাইট আইনটি বাংলাদেশে দীর্ঘকাল থেকে প্রচলিত থাকলেও তা সময়ের প্রয়োজনে হালনাগাদ করা হয়নি এবং এ সম্পর্কে অংশীজনসহ সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সচেতনতাও ন্যূনতম। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এখনো সবক্ষেত্রে অংশীজনের কপিরাইট সোসাইটি সক্রিয় নেই।