সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে

২২ এপ্রিল ২০১৬। মহুবা, গুজরাট। সংগীত ভুবনের এক মহান শিল্পীর হাত থেকে সম্মাননা তুলে নেন আরেক মহান শিল্পী। গজলসম্রাট গোলাম আলী গুজরাটের হনুমান জয়ন্তীর বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার ‘হনুমান্ত অ্যাওয়ার্ড ফর ক্ল্যাসিক্যাল ভোকাল’ তুলে দেন উচ্চাঙ্গসংগীতের কিংবদন্তি, বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের গুরু উলহাস কশলকরের হাতে। ধ্রুপদী তবলাবাদক হিসেবে একই সঙ্গে এই পুরস্কার লাভ করেন পরম্পরার আরেক গুরু সুরেশ তলওয়ালকর। শুধু গোলাম আলী নন, এই দুই গুণী শিল্পীকে সম্মানিত করলেন ‘রামচরিতমানস’ কথক, ধর্মগুরু-সাধু মুরারী বাপুও।
একদিকে বাবার পথে হেঁটে তার খ্যাতি ও দ্যুতি উভয়ই আয়ত্ত করেছেন গুরুপুত্র ও পরম্পরার আরেক প্রশিক্ষক সামিহান কশলকর। ৬ মে ভারতের পুনেতে ‘সঙ্গমেশ্বর গৌরব যুব কলাকার’ পুরস্কার পেলেন তরুণ এই শিল্পী। হিন্দুস্তানি উচ্চাঙ্গসংগীতের প্রণম্য শিল্পী পণ্ডিত সঙ্গমেশ্বর গৌরবের নাম জড়িয়ে আছে এই পুরস্কারের সঙ্গে।
উলহাস কশলকরের স্ত্রী সঞ্জীবনী কশলকর যুক্ত আছেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের সঙ্গে। সেই হিসেবে গোটা পরিবারই আলোকিত করে যাচ্ছেন শাস্ত্রীয় সংগীতের গগন। কশলকর পরিবারের অর্জন তাই সংগীতেরই অর্জন। মহান এ শিল্পীর অর্জন অব্যাহত থাকুক। রাগ-রাগিণীর আবেশে মুগ্ধ করে রাখুন সংগীতপ্রেমীদের, তাঁদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বজুড়ে।