ইমন থেকে ভৈরবী

পঞ্চম বারের মতো সফলভাবে আয়োজিত হলো বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব। শিল্পী ও দর্শকের অংশগ্রহনের বিচারে এরই মধ্যে উপমহাদেশ তথা বিশ্বে সবচেয়ে বড় পরিসরের শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এই উৎসব। ২৪ থেকে ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যা হতে ভোর অব্দি অযুত নিযুত দর্শক তন্ময় হয়ে পান করেন বিশ্বনন্দিত শিল্পীদের সংগীত সুধা।
গত বছরের মতো এবারও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সহযোগীতা করেছে স্কয়ার গ্রুপ ও ব্র্যাক ব্যাংক। এবছরের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয় প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে।
সুর-তাল ও লয়ের এই আনন্দযজ্ঞে এবার মঞ্চ আলোকিত করেছেন সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশী শিল্পী। বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়সহ ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরাও মুগ্ধ করেন দর্শকদের। রাগে-সুরে তালে-লয়ে হৃদয় যেমন ছুঁয়ে গিছে গিরিজী দেবী, রশিদ খান, অজয় চক্রবর্তীর খেয়াল; পূর্বায়ন চট্টোপাধ্যায়ের সেতার; আশিষ খানের সরোদ; শিবকুমার শর্মার সন্তুর কিংবা ইউ রাজেশের ম্যান্ডোলিন তেমনি সবশেষে মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটেছে পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার বাঁশিতে।
এই মুগ্ধতার রেশটা চলমান রাখতেই…